চীন থেকে চালু · আরও দেশ শীঘ্রই আসছে +8801332-570604 [email protected]

China warehouse address — সাপ্লায়ারকে কোন ঠিকানা দেবেন

চীনের সাপ্লায়ার বা চেকআউট ফর্মে যে ঠিকানা বসাবেন, তার প্রতিটি লাইনে কী যায় — Recipient, Shipping Mark আর ফোন নম্বরে ভুলটা কোথায় হয়।

চীন থেকে পণ্য কিনলে সাপ্লায়ার প্রথমেই জানতে চায়, কোথায় পাঠাবে। উত্তরটা আপনার ঢাকার ঠিকানা নয়। লাগে একটা China warehouse address — চীনের ভিতরের ঠিকানা, যেখানে সাপ্লায়ার নিজের দেশের কুরিয়ারে পার্সেল পাঠাতে পারে। লজিবাংলার সেই ঠিকানা গুয়াংজুতে, আমাদের ওয়্যারহাউজ। সেখান থেকে আমরা পণ্য বাংলাদেশে আনি, কাস্টমস ছাড় করাই এবং আপনার কাছে পৌঁছে দিই।

ঠিকানাটা কী কাজে লাগে

1688-এর মতো চীনের ভিতরের বাজার দেশের বাইরে পাঠায় না। ওয়্যারহাউজের ঠিকানা থাকলে সাপ্লায়ারের কাছে আপনার অর্ডারটা চীনের ভিতরের সাধারণ একটা ডেলিভারি। সে কাজ তার রোজকার। আলিবাবার অনেক সাপ্লায়ারও একই কারণে চীনের ঠিকানা চায় — আলিবাবা থেকে কেনার ধাপগুলো আলাদা লেখায় আছে।

আলাদা সাপ্লায়ারের পার্সেল একই ঠিকানায় এলে 30 দিনের মধ্যে সেগুলো একসাথে প্যাক করে এক শিপমেন্টে পাঠানো যায়। সর্বনিম্ন চার্জ তখন একবারই লাগে, প্রতিটি পার্সেলে আলাদা করে নয়।

ঠিকানার প্রতিটি লাইনে কী লিখবেন

সাইনআপের পর পোর্টালে পুরো ঠিকানা পাবেন — প্রতিটি লাইন তার ইংরেজি নামসহ, এক ক্লিকে কপি করার মতো। লাইন সাতটা। ভুল হয় মূলত তিনটায়:

লাইনকী থাকেভুলটা যেখানে হয়
Recipient (收货人)ওয়্যারহাউজের লোকের নাম — আমরা দিইনিজের নাম বসিয়ে দেওয়া। গুয়াংজুর ওয়্যারহাউজে ওই নামে কেউ নেই, পার্সেল সই করে নেওয়ার লোকও নেই
Shipping MarkLogiBangla/আপনার ইংরেজি নাম, যেমন LogiBangla/Salman Rahmanলাইনটা বাদ পড়া। মার্ক ছাড়া পার্সেল কার, ওয়্যারহাউজে বোঝা যায় না
Address 1, Address 2রাস্তা, ভবন আর এলাকা — চীনা অক্ষরেঅনুবাদ করে বা ইংরেজিতে লেখা। চীনের কুরিয়ার চীনা অক্ষরই পড়ে
City, Province, Country广州市 Guangzhou, 广东省 Guangdong, 中国 Chinaবাদ দিলে ক্ষতি কম, তবু হুবহু কপি করাই ভালো
Phone (手机号码)ওয়্যারহাউজের নম্বরনিজের বাংলাদেশি নম্বর দেওয়া। কুরিয়ার তখন ডেলিভারির আগে কাউকে ফোনে পায় না

Recipient আর Shipping Mark দুটো আলাদা লাইন, কাজও আলাদা। Recipient-এর নামে পার্সেল ওয়্যারহাউজ পর্যন্ত পৌঁছায়। Shipping Mark দিয়ে ভিতরে ঢোকার পর বোঝা যায় কার্টনটা কার।

শিপিং মার্ক থাকবে তিন জায়গায়

মার্কটা শুধু ঠিকানার লাইনে থাকলে যথেষ্ট নয়। সাপ্লায়ারকে বলুন ঠিকানার Shipping Mark লাইনে, প্রতিটি কার্টনের গায়ে আর প্যাকিং লিস্টে — তিন জায়গাতেই লিখতে।

মার্ক ছাড়া কোনো পার্সেল এসে গেলে আমরা ছবি তুলে পোর্টালে “অমিলপ্রাপ্ত” তালিকায় রাখি। সাপ্লায়ারের ট্র্যাকিং নম্বর দিয়ে দাবি করলে সেটা আপনার শিপমেন্টে যোগ হয়। তাতে কাজ হয়, তবে সময় যায় — মার্কটা আগে ঠিক করে নেওয়াই সহজ।

পাঠানোর আগে সাপ্লায়ারকে যা বলবেন

এগুলো ওয়্যারহাউজের নিয়ম। একটা বাদ পড়লে পার্সেল আটকে যেতে পারে, তাই অর্ডার দেওয়ার সময়েই সাপ্লায়ারকে জানিয়ে দিন।

01

প্যাকিং লিস্ট সঙ্গে দিতে বলুন। প্যাকিং লিস্ট ছাড়া পণ্য ওয়্যারহাউজে গ্রহণ করা হয় না। তাতে থাকবে কার্টন নম্বর, শিপিং মার্ক, পণ্যের নাম, আর প্রতি কার্টনে কয়টা পণ্য, কত ওজন, কী মাপ।

02

ব্যাটারি, তরল, পাউডার বা ম্যাগনেট থাকলে আলাদা করে লেখাতে বলুন। এই চার ধরনের পণ্য প্যাকিং লিস্টে আলাদা লাইনে থাকা চাই, কারণ আকাশপথে এগুলো আলাদা করে দেখা হয়। কোনটা যাবে আর কোনটা যাবে না, পাঠানোর আগে ফ্রেইট ডেস্কে জিজ্ঞেস করে নিন।

03

গ্রিন পলিতে মুড়ে পাঠাতে বলুন। গ্রিন পলি ছাড়া কার্টন পাঠাবেন না। ট্রাকে মাল পাঠালে ওয়্যারহাউজে আনলোডিং চার্জ আলাদা, সেটা আপনাকেই দিতে হয়।

04

ট্র্যাকিং নম্বর চেয়ে নিন। পাঠানোর পর সাপ্লায়ারের ট্র্যাকিং নম্বরটা পোর্টালে বা WhatsApp-এ দিন। পার্সেল পৌঁছানোর দিনই সেটা আপনার নামে যোগ হয়।

ওয়্যারহাউজে পৌঁছানোর পর

পার্সেল পৌঁছালে আমরা গ্রহণ করি, ছবি তুলে পোর্টালে দেখাই আর শিপিং মার্ক ধরে আপনার নামে যোগ করি। বেশিরভাগ শিপমেন্ট পৌঁছানোর 3-4 দিনের মধ্যে বাংলাদেশের দিকে রওনা হয়। অন্য সাপ্লায়ারের পার্সেলের জন্য অপেক্ষা করতে চাইলে 30 দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ বিনামূল্যে।

বিল হয় চার্জেবল ওজনে — প্রকৃত ওজন আর আয়তনিক ওজনের মধ্যে যেটা বেশি। আয়তনিক ওজন = (দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা সেমি) ÷ 6000। কার্টনে কোন ওজনটা ধরা হয়, উদাহরণসহ আলাদা লেখায় আছে। সাপ্লায়ারের কাছে কার্টনের মাপ পেলে শিপিং খরচের ক্যালকুলেটরে অর্ডারের আগেই হিসাবটা দেখে নিতে পারেন।

এই ঠিকানা আকাশপথের শিপমেন্টের জন্য। সমুদ্রপথের ঠিকানা আলাদা — সমুদ্রপথে কিছু পাঠানোর কথা ভাবলে সাপ্লায়ারকে ঠিকানা দেওয়ার আগে ফ্রেইট ডেস্কে জিজ্ঞেস করুন।

পুরো ঠিকানা কীভাবে পাবেন

সাইনআপ বিনামূল্যে। ইমেইলে একটা কোড আসে, সেটা দিলেই অ্যাকাউন্ট খোলে। তারপর তিনটি তথ্য লাগে — ইংরেজিতে পুরো নাম, বাংলাদেশে ডেলিভারির ঠিকানা আর মোবাইল নম্বর। ইংরেজি নামটাই আপনার শিপিং মার্কে বসে, তাই কার্টনে যেভাবে লেখা দেখতে চান, সেভাবেই দিন।

ঠিকানাটা সাইটের খোলা পাতায় রাখা হয় না। এটা থাকে শুধু গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে, আপনার নিজের শিপিং মার্কসহ। প্রথমবার আমদানি করলে অর্ডার থেকে হাতে পাওয়া পর্যন্ত পুরো পথটা আগে একবার দেখে নিন।

ওয়্যারহাউজের ঠিকানা আর শিপিং মার্ক নিন

সাইনআপ বিনামূল্যে। ইমেইলের কোড দিলেই ঠিকানা পাবেন, প্রতিটি লাইন কপি করার মতো।